দ্য আনবেজড, ২০ জুলাই এর সহিংসতার দলিল জমা হচ্ছে যেখানে

২১ জুলাই রাত দশটায় ল্যাপটপের সামনে বসার সময় শ্রেয় গুপ্তার মাথায় ছিল একটাই সহজ লক্ষ্য।

২৮ বছর বয়সী এই ফ্লাইট সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার আহমেদাবাদের একটি স্টার্টআপের হয়ে স্যাটেলাইট বানান। সেদিন সকালে ঘুম ভেঙেই তিনি দেখেছিলেন, ২০ জুলাইয়ের ‘সংসদ চলো’ মিছিলে হওয়া সহিংসতার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে।

শত শত ক্লিপ ততক্ষণে অনলাইনে চলে এসেছে। আর হাজার হাজার ক্লিপ, তিনি বুঝলেন, এখনো হয়তো পড়ে আছে সেই শিক্ষার্থীদের আর অন্যদের ফোনে, যারা নিজ হাতে সেগুলো রেকর্ড করেছিলেন।

গুপ্তার দুশ্চিন্তা ছিল একটাই, এরপর কী হবে। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স থেকে স্নাতক, এরপর আইআইএম আহমেদাবাদ, তারপর নিজের একটি স্টার্টআপ গড়ে শেষমেশ মহাকাশ প্রযুক্তির জগতে পা রাখা এই মানুষটি ভাবছিলেন সামনের কথা।

“মানুষ ২০ জুলাইয়ের এই প্রমাণগুলো, ভিডিও, ছবি, রেকর্ডিং, হয় মুছে ফেলবে, নয়তো হারিয়ে ফেলবে,” বলেন গুপ্তা, “আর আমার মনে হলো, এর নিশ্চয়ই একটা উপায় আছে।”

“গত কয়েক দিনে বাকি সবাই যে জিনিসটা টের পেয়েছে, আমারও ঠিক সেটাই মনে হলো, পাতা হ্যায় কুছ নেহি হোগা, আমরা জানি, শিক্ষার্থীরা বিচার পাবে না, কারণ ওদের ওপর বাহিনীর হামলার কোনো প্রমাণই টিকে থাকবে না,” বলেন তিনি।

সেদিন সকালের দিকেই তিনি ঠিক করলেন, এই সমস্যাটার একটা সমাধান করবেন। ইনস্টাগ্রামে তিনি ঘোষণা দিলেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের ওপর হামলায় জড়িত পুলিশ ও র‍্যাফ সদস্যদের নিয়ে “একটা সার্চ করা যায় এমন সাজানো ডেটাবেস” বানাচ্ছেন তিনি।

ব্যবহারকারীদের তিনি অনুরোধ করলেন, আলাদা আলাদা পুলিশ সদস্যের ছবি আর যে ঘটনায় তারা জড়িত ছিল তার বিবরণ কমেন্টে দিতে, যাতে সেগুলো ডেটাবেসে যোগ করা যায়।

খুব একটা সাড়া তিনি আশা করেননি। “ভেবেছিলাম হয়তো ১৫ জন লাইক দেবে,” আহমেদাবাদ থেকে ফোনে বলেন তিনি।

কিন্তু হলো উল্টো, লাইক দিল আরও অনেকে। এতে উৎসাহ পেয়ে সারা রাত জেগে তিনি বানিয়ে ফেললেন একটা ওয়েবসাইট, দ্য আনব্যাজড।

নামটা রাখলেন সেই উর্দিধারীদের কথা ভেবে, যারা সংসদের দিকে শান্তিপূর্ণভাবে এগিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করার সময়, গুলি বা কাঁদানে গ্যাস ছোড়ার সময় নিয়ম অনুযায়ী নিজেদের নামের ব্যাজ পরেননি।

চার ঘণ্টা পর, রাত দুইটার দিকে, চালু হয়ে গেল দ্য আনব্যাজড, যেখানে মানুষকে আহ্বান জানানো হলো মিছিল-সংক্রান্ত আসল ভিডিওগুলো নাম প্রকাশ না করে আপলোড করতে।

ইনস্টাগ্রাম বা এক্সের মতো নয়, গুপ্তা চেয়েছিলেন তার প্ল্যাটফর্মে যেন আসল ফাইল আর তার মেটাডেটা অক্ষত থাকে। তার আশা, এটা একদিন প্রমাণের একটা আর্কাইভ হয়ে উঠতে পারে।

“নথিভুক্ত করে রাখাটা খুব জরুরি,” বলেন তিনি। “ইনস্টাগ্রাম আর অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ারও গুরুত্ব আছে, কিন্তু ওই পোস্টগুলো ফোন বা লোকেশনের মেটাডেটা বহন করে না। কথিত সহিংসতার প্রতিটি ঘটনার জন্য যত বেশি সম্ভব ভিডিও দরকার, যাতে আসলে কী ঘটেছিল তা মিলিয়ে দেখা যায়।”

দ্য আনব্যাজডের কথা জানিয়ে তিনি আরেকটা রিল ছাড়লেন, জানালেন, এটা হবে ২০ জুলাইয়ের এক দলিল, যার ট্যাগলাইন, “ভারতের জন্য এক অন্ধকার দিন”।

পরদিন সকালের মধ্যেই রিলটিতে জমা হলো প্রায় ২,০০০ লাইক আর কয়েক লাখ ভিউ। ওয়েবসাইটটিতেও তখন আসতে শুরু করেছেন দর্শনার্থীরা।

➖

২২ জুলাই, ঠিক পরদিন, বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কাজ থেকে বাড়ি ফিরে গুপ্তা ফোনে টেলিগ্রাম খুলে দেখেন, কেউ একজন জানতে চাইছেন আর্কাইভে একটা ভিডিও পাঠানো যাবে কি না। তিনি জবাব দেন, ঠিক আছে।

আর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই, তার ভাষায়, ফোনটা যেন ফেটে পড়ল। একের পর এক বার্তা আসতে শুরু করল, তাতে তার ছবি, তার ঠিকানা, তাকে আর তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নানা ব্যক্তিগত তথ্য।

কোনো কোনো বার্তায় সতর্ক করা হলো, তিনি নাকি “অনলাইন ওসিন্ট কমিউনিটির” সদস্যদের নজরে পড়ে গেছেন। কোনোটিতে হুমকি, তারা তাকে “দেখে নেবে”। এরপর শুরু হলো একটানা ফোন। একটা ধরেওছিলেন গুপ্তা, কিন্তু ফোনের ওপ্রান্তের লোকটি হুমকি দিতে থাকায় লাইন কেটে দেন।

“এই যে পরিমাণ ঘৃণা আমার দিকে আসছে, তা আমি কখনো ভাবিনি,” বলেন তিনি। “আমাকে আর আমার পরিবারকে দেওয়া হুমকিগুলো।”

ফোন আসতেই থাকল, কিন্তু গুপ্তা ওয়েবসাইটটা আরও ভালো করার কাজ চালিয়ে গেলেন।

এখন সেখানে আছে প্রতিবাদের একটা টাইমলাইন, প্রতিবাদকারীরা কোন কোন এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন, সংসদে পৌঁছাতে কোন পথ ধরেছিলেন, তার একটা আনুমানিক চিত্র, আর সেই সঙ্গে হটস্পটগুলো, যেখানে পুলিশের লাঠিচার্জ আর মারধর ছিল সবচেয়ে বেশি।

দর্শনার্থীদের প্রমাণ জমা দেওয়ার জন্য আছে আলাদা একটা অংশ।

সাইটটা যেভাবে দাঁড়াচ্ছিল, তাতে গুপ্তা খুশি ছিলেন। তিনি জানতেন, সহিংসতার এই দলিল তৈরির চেষ্টা বিরাট সাফল্য পেতে পারে, শেষ পর্যন্ত আদালতে মানুষকে বিচার পেতে সাহায্য করতে পারে।

➖

২২ জুলাই রাত সাড়ে দশটার দিকে তার অ্যাপার্টমেন্টের দরজায় কড়া নাড়ল কেউ। বাইরে দাঁড়িয়ে সাদা পোশাকের চার ব্যক্তি। “আমাকে কি গ্রেপ্তার করা হচ্ছে?” জিজ্ঞেস করেন গুপ্তা। “না,” উত্তর এল। “আমি কি একটা ফোন করতে পারি?” “হ্যাঁ।”

গুপ্তা বলছেন, ফোন করার জন্য তিনি ঘুরে দাঁড়ান। নম্বর ডায়াল করা শেষ হতেই সাদা পোশাকের একজন গ্রিলের দরজা দিয়ে হাত বাড়িয়ে ভেতর থেকে ছিটকিনি খুলে ঢুকে পড়েন ঘরে।

“ওরা আমাকে এমনভাবে চেপে ধরল, যেন আমি পালাতে যাচ্ছিলাম,” বলেন তিনি। কিন্তু ততক্ষণে গুপ্তার ফোনটা লেগে গেছে। “তখন আমার একটাই করার ছিল, চিৎকার করে সাহায্য চাওয়া, আর সেটাই করলাম।”

গুপ্তা জানান, তার ফ্ল্যাটমেট পাশের ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন, কিন্তু সাদা পোশাকের লোকগুলো তাকে ঠেলে আবার ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়। গুপ্তা বলছেন, খানিকক্ষণ তিনি সহজাতভাবেই ধস্তাধস্তি করেন, তারপর সিদ্ধান্ত নেন আর নয়।

“আমি দেখলাম, এর দুটো পরিণতি হতে পারে,” বলেন তিনি। “হয় প্রতিরোধ চালিয়ে যাব, আর ওরা আমাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাবে। তাই ঠিক করলাম, সহযোগিতা করব।”

তিনি তার ফোনটা ফেরত চান। নিজেদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর লোকগুলো এই শর্তে ফোনটা ফিরিয়ে দেয় যে তিনি কিছু রেকর্ড করবেন না, জানান গুপ্তা।

এর কিছুক্ষণ পরই গুপ্তার দুই সহকর্মী তার বাড়িতে পৌঁছে কর্মকর্তাদের চলে যেতে রাজি করানোর চেষ্টা করেন। এরপর সহকর্মীদের একজনের পরিচিত এক আইপিএস কর্মকর্তা ফোনে তাদের আশ্বস্ত করেন, পুলিশ কেবল তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়।

গুপ্তা তাদের সঙ্গে যেতে রাজি হন। তার সহকর্মীদেরও সঙ্গে আসার অনুমতি দেওয়া হয়।

প্রথম থানায়, আহমেদাবাদের নবরঙ্গপুরা পুলিশ স্টেশনে, গুপ্তা বলছেন, এক কর্মকর্তা তাকে জানান যে সকাল থেকেই তারা তাকে খুঁজছিলেন।

“এটা আহমেদাবাদে অনেক সহিংসতা ঘটাচ্ছে,” কর্মকর্তাটি নাকি তাকে বলেন। গুপ্তার অদ্ভুত লেগেছিল যে পুলিশ বারবার জানতে চাইছিল, “প্রতিবাদ আর ভিডিও শেয়ার করা এত মানুষের মধ্যে” ঠিক তাকেই কেন বেছে নেওয়া হলো বলে তিনি মনে করেন। খানিকক্ষণ এভাবেই চলল, তারপর সেই কর্মকর্তা সেখান থেকে বেরিয়ে যান।

এরপর, গুপ্তার মনে আছে, আরেক কর্মকর্তা ঘরে ঢুকে মন্তব্য করেন যে কেউ তো তাকে পোস্ট মুছে ফেলতে বলছে না। “আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টগুলো যদি না মুছি, তাহলেও কি থানা থেকে বেরোতে পারব?'” বলেন তিনি। কর্মকর্তাটি চুপ করে থাকেন।

ইঙ্গিতটা বুঝে নিয়ে গুপ্তা ইনস্টাগ্রামের পোস্টগুলো মুছে ফেলেন। পুলিশ তার অন্য ডিভাইসগুলোও দেখেছিল, তিনি যে ওয়েবসাইটটা বানাচ্ছিলেন তারও একটা ডেমো দেখেছিল। কিন্তু সেটা নামিয়ে ফেলতে তারা কখনো বলেনি, এটা নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনাও করেনি।

দ্য ওয়্যার থেকে ফোন করা হয়। নবরঙ্গপুরা স্টেশনে ফোন ধরা পুলিশ কর্মকর্তা ফোনটা আরেক কর্মকর্তার হাতে দেন, যিনি বলেন যে এমন কোনো আটক বা জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনা ঘটেনি, এবং আরও তথ্য পেতে হলে “স্থানীয় কোনো পরিচিতকে” সশরীরে থানায় আসতে হবে।

এরপর তিনি দুবার দ্য ওয়্যারের ফোন হঠাৎ কেটে দেন।

জিজ্ঞাসাবাদ চলতে থাকে দ্বিতীয় আরেকটি থানায়, যেখানে গুপ্তা আর তার সহকর্মীদের পুলিশই গাড়িতে করে নিয়ে যায়। এটি ছিল গায়কোয়াড় হাভেলির ক্রাইম ব্রাঞ্চ।

সেখানে কর্মকর্তারা জানতে চান তার শিক্ষাগত পটভূমি, বেতন, ঠিকানা, বাবা-মা আর বর্ধিত পরিবার, এমনকি তার চাচার সন্তানরা কী করে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আর সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল সম্পর্কে, বলেন গুপ্তা। তারা বলেন, এসব তথ্য না দিলে তাকে যেতে দেওয়া হবে না।

কোনো এক কারণে তার অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলোর ছবিও তোলা হয়।

কয়েক ঘণ্টা পর একজন পুলিশ কাগজপত্র তৈরি করতে শুরু করেন, একটা খসড়া কাগজ নিয়ে হাতে লিখতে থাকেন। “তিনি অনেক কিছু লিখলেন, তারপর পুরোটা তার কম্পিউটারে টাইপ করলেন, আর তাতেই আমাকে সই করতে বলা হলো,” বলেন গুপ্তা।

ওই কাগজপত্রের কোনো কপি তিনি কখনো পাননি।

নথিটিতে তার ব্যক্তিগত তথ্য লিপিবদ্ধ ছিল, আর এই স্বীকারোক্তি ছিল যে তিনি ইনস্টাগ্রামে পোস্টগুলো করেছিলেন এবং পরে মুছেও ফেলেছিলেন। এরপর তাকে যেতে দেওয়া হয়।

“তিনটা জিনিস আমি জোর দিয়ে বলতে চাই,” বলেন তিনি, “আমি পুলিশকে পুরোপুরি সহযোগিতা করেছি, তারা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করেছে, আর কোনো অভিযোগ বা মামলা ছাড়াই আমাকে ছেড়ে দিয়েছে।”

২২ জুলাই রাত দশটায় শুরু হওয়া এই দুর্ভোগ শেষ হয় পরদিন, ২৩ জুলাই দুপুরে।

দ্য ওয়্যার আহমেদাবাদের ডিসিপির কাছে একটি ইমেইল প্রশ্নমালা পাঠিয়েছে, জানতে চেয়েছে স্থানীয় পুলিশ কোনোভাবে বাসিন্দাদের জন্তর মন্তরের প্রতিবাদে সমর্থন দেওয়া থেকে বিরত রাখছিল কি না, এবং এটা কোনো সরকারি নীতি হিসেবে করা হচ্ছিল কি না।

একই রকম একটি প্রশ্নমালা গায়কোয়াড় হাভেলিতে থাকা যুগ্ম পুলিশ কমিশনারের কাছেও ইমেইল করা হয়েছে।

আহমেদাবাদের পুলিশ কমিশনার অনুপম সিং গেহলট ফোনের জবাব দেননি, তবে একটি টেক্সট বার্তার উত্তর দিয়েছেন, যেখানে জানতে চাওয়া হয়েছিল দিল্লিতে জন্তর মন্তরের প্রতিবাদে সমর্থনকারী ব্যক্তিদের আহমেদাবাদ পুলিশ আটক করছে কি না।

তিনি জবাব দেন, “আহমেদাবাদে কাউকে আটক করা হয়নি।” তার কাছে একটি ফলো-আপ প্রশ্ন পাঠানো হয়েছে, এবং উত্তর পাওয়ামাত্র এই প্রতিবেদন হালনাগাদ করা হবে।

➖

এই অভিজ্ঞতা দ্য আনব্যাজড নিয়ে তার পরিকল্পনা বদলে দেয়নি। তবে দুই দিন বয়সী সাইটটির ভবিষ্যৎ নিয়ে গুপ্তাকে দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।

চালু হওয়ার পর থেকে সাইটটিতে প্রায় ৩০টি ভিডিও জমা পড়েছে বলে জানান গুপ্তা, যা একটি এনক্রিপ্টেড ভল্টে রাখা আছে। কিন্তু সেগুলো তিনি এখনো দেখেননি।

“আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত নই,” বলেন তিনি। “আমি জানি, ওগুলোর বেশিরভাগই হয়তো ইনস্টাগ্রামের ভিডিও, কিন্তু এটাও জানি, ভল্টে ঢুকে ওগুলো দেখলে আমার ক্ষোভ আরও বেড়ে যাবে।”

আপাতত এই আর্কাইভই তার সবচেয়ে বড় ভাবনা। গুপ্তা বলছেন, তিনি এটা বানিয়েছেন কারণ তার ভয় ছিল, না হলে ২০ জুলাইয়ের মিছিলের দলিলগুলো কেউ খতিয়ে দেখার সুযোগ পাওয়ার আগেই হারিয়ে যাবে।

এখন তার আশা, যথেষ্ট মানুষ প্রকল্পটির কথা জানে, যাতে তাকে ছাড়াই এটা টিকে থাকতে পারে। “আমার যদি কিছু হয়ে যায়,” বলেন তিনি, “চাই আর কেউ যেন এটা এগিয়ে নিয়ে যায়।”

0 FacebookTwitterPinterestEmail

মন্তব্য করুন